C Programming

৫.০৫ :: সি ভাষায় প্রোগ্রাম উন্নয়ন পরিবেশ

Posted on Updated on

সি প্রোগ্রামিং পরিবেশে কোন প্রোগ্রাম তৈরী ও নির্বাহ করার জন্য ৬টি ধাপ রয়েছে।

ধাপ ১: প্রোগ্রাম সম্পাদনা

এডিটরের মাধ্যমে প্রোগ্রাম সি প্রোগ্রাম টাইপ করেন এবং প্রযোজন অনুসারে সংশোধন করেন।

ধাপ ২: প্রিপ্রসেসর

তৈরী করা প্রোগ্রাম মেশিন ভাষায় রূপান্তর হওয়ার আগেই কম্পাইলার স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রি-প্রসেসর প্রোগ্রাম নির্বাহ করে।

ধাপ ৩: কম্পাইল

প্রোগ্রাম কম্পাইল বা সংকলন করতে প্রোগ্রামার কমান্ড প্রদান করেন। কম্পাইলার সি প্রোগ্রামকে মেশিনভাষা কোডে অনুবাদ করে এবং ডিস্কে সংরক্ষন করে।

ধাপ ৪: লিংক

লিংকার মেশিন ভাষা কোড বা অবজেক্ট কোডের সাথে লাইব্রেরী ফাইলের সংযোগ বা লিংক করে।

ধাপ ৫: লোড

প্রোগ্রামকে নির্বাহ করার আগে প্রোগ্রামটিকে অবশ্যই প্রথমে মেমরি বা স্মৃতিতে সংরক্ষন করতে হবে। এটা লোডারের সাহায্যে প্রোগ্রামকে ডিস্ক হতে মেমরিতে স্থানান্তর করে।

ধাপ ৬: প্রোগ্রাম নির্বাহ

সবশেষে কম্পিউটার এর সিপিইউ এর নিয়ন্ত্রনাধীনে একটিমাত্র নির্দেশে প্রোগ্রাম নির্বাহ সম্পন্ন হয়।

৫.০৪ :: ফাংশনের হেডার ফাইল

Posted on Updated on

প্রত্যেক স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরীর যে ফাইলসমূহ ঐ লাইব্রেরীর সকল ফাংশনের জন্য ফাংশন প্রটোটাইপ ধারন করে সেই ফাইল সমূহকে হেডার ফাইল বলা হয়।

এ সকল ফাইল .h Extension যুক্ত। #include প্রিপ্রসেসর ডাইরেক্টিভ ব্যবহার করে এই সকল ফাইল প্রোগ্রামে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

কিছু স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরী ফাংশন ও তা ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় হেডার ফাইলের তালিকা:

 ফাংশনের নাম  হেডার ফাইলের নাম
 printf() <stdio.h>
 gets() <stdio.h>
 getche() <conio.h>
 getch() <conio.h>
 sqrt() <math.h>
 pow() <math.h>
 strcpy() <string.h>
 strcat() <string.h>
 strcmp() <string.h>

Variable নামকরণের নিয়মাবলী

Posted on Updated on

  1. কেবলমাত্র অ্যালফাবেট ক্যারেক্টার, ডিজিট এবং আন্ডারস্কোর ( _ ) ব্যবহার করা যায়।
  2. কোন White Space থাকতে পারে না।
  3. ডিজিট বা অংক দ্বারা শুরু করা যাবে না।
  4. বড় হাতের এবং ছোট হাতের অক্ষরগুলো আলাদা অর্থ বহন করে।
  5. কোর কীওয়ার্ডের নাম ব্যবহার করা যাবে না।
  6. Variable নামকরনে যেকোন সংখ্যক ক্যারেকটার ব্যবহার করা যায়, তবে ৩১ ক্যারেকটারের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।

৫.০৩ :: সি স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরী ব্যবহারের সুবিধা

Posted on Updated on

সি প্রোগ্রামিং করার সময় নিম্বলিখিত ফাংশন ব্যবহার করা হয়।

  1. সি স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরী।
  2. নিজের তৈরী করা ফাংশন।
  3. অন্য কারো মাধ্যমে ফাংশন তৈরী করিয়ে নিয়ে তা সহজ প্রাপ্য করা।

নিজেই ফাংশন তৈরী করার সুবিধা হলো প্রকৃতপক্ষে তারা কিভাবে কাজ করে তা জানা যায়। তবে অসুবিধা হলো নতুন ফাংশন ডিজাইন ও উন্নয়নে বেশি সময় ব্যয় হয়। লাইব্রেরী ফাংশন ব্যবহার করে এই পূন:উদ্ভাবন চক্র এড়ানো যেতে পারে।

ANSI C স্ট্যান্ডার্ড ফাংশনসমূহ যত্নসহকারে লেখা হয় এবং প্রায় সকল ANSI C সিস্টেমে পাওয়া যায়। এতে প্রোগ্রামারদের কাজ অনেক সহজ হয় এবং প্রোগ্রামারদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

printf(), scanf(), pow() ইত্যাদি হলো স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরী ফাংশন।

৫.০২ :: সি প্রোগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্যসমূহ

Posted on Updated on

  • সি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম কার্যকর ও দ্রুত।
  • এটি স্থানান্তর যোগ্য।
  • সি ভাষা নিজেকে বর্ধিত করার ক্ষমতা রাখে।
  • এক বা একাধিক ফাংশন নিয়ে গঠিত।
  • main() ফাংশনটি অবশ্যই থাকতে হবে।
  • লাইব্রেরী ফাংশন ব্যবহারের সুবিধা।
  • Header File এর ব্যবহার।
  • সি ভাষা Space অগ্রাহ্য করে।

পূর্ববর্তী আলোচনা : সি প্রোগ্রামিং                                              পরবর্তি আলোচনা: সি স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরী ব্যবহারের সুবিধা

৫.০১ :: সি প্রোগ্রামিং

Posted on Updated on

সি কে মধ্যবর্তী কম্পিউটার ভাষা হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। কারন সি দিয়ে ইচ্ছেমত হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রন করে কোন প্রোগ্রাম তৈরী করা যায় এবং এই সব প্রোগ্রামগুলো বেশ নমনীয় হয়।

সি এর ডেটা বিভিন্ন হলেও ডেটা টাইপগুলোর রূপান্তর ও মিশ্রন খুবই সহজ। এছাড়া Assembly Language এর সমস্ত সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে এই প্রোগ্রামিং এ।

পরবর্তী বিষয়: সি প্রোগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্যসমূহ