ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)

Posted on Updated on

  • ন্যারো ব্যান্ড সাধারনত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
  • ধীরগতি ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
  • টেলিগ্রাফীতে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
  • একে Sub-Voice Band বলা হয়।
Advertisements

Bandwidth(ব্যান্ডউইডথ) – ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড

Posted on Updated on

এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিন্বা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড বলে। এই ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথ বলা হয়। ব্যান্ডউইডথ সাধারনত Bit per Second (bps) -এ হিসাব করা হয়। অর্থাৎ প্রতিসেকেন্ডে যে পরিমান বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।

ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিডকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

  1. Narrow Band
  2. Voice Band
  3. Broad Band

ডেটা কমিউনিকেশন কী?

Posted on Updated on

কম্পিউটার কিন্বা অন্যকোন যন্ত্রের মাধ্যমে ডেটাকে এক স্থান হতে অন্যস্থানে কিন্বা এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের প্রকৃয়াই হচ্ছে ডেটা কমিউনিকেশন।

ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড

নাচি নাচি মাছ

Posted on Updated on

আহনাফের মাছের ব্যাপারে তৈরী হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। অ্যাকুরিয়ামের সুন্দর মাছ না, আমাদের দেশীয় শিং মাছের সৌন্দর্যে সে অভিভূত। বাসায় কিছু শিং মাছ আনা হয়েছে। জিয়ল মাছ হিসাবে শিং মাছের সুপরিচিতি আছে। মাছগুলো বর্তমানে একটা পানি ভর্তি বালতিতে রাখা হয়েছে। তারা সেই পানিতে ছটফট করছে আর আহনাফ তা দেখে দিচ্ছে ঘন ঘন হাত তালি। সে মাছ গুলোর নাম করন করেছে নাচি নাচি মাছ।

অ্যালগরিদম

Posted on Updated on

অ্যালগরিদম শব্দটি এসেছে মুসলিম গণিতবিদ ‘মুসা আল খারিজমী’-এর নাম থেকে। এর সংজ্ঞায় বলা যায় ‘Step by step problem solving procedure’ অর্থাৎ অ্যালগরিদম হচ্ছে কোনো একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য কতক গুলি সুনির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক ধাপের সমষ্টি। অ্যালগোরিদমের ধাপ সংখ্যা অবশ্যই সীমিত হতে হবে। কম্পিউটার,মানুষ , রোবট ইত্যাদি অ্যালগোরিদের ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে পারে। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক অ্যালগোরিদম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যালগোরিদমকে “সঠিক” বলা হয় যদি প্রতিটি ইনপুটের জন্য অ্যালগোরিদমটি সঠিক আউটপুট প্রদর্শন করে। তবে পুরোপুরি নির্ভূল নয় এমন অ্যালগোরিদমও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে যদি ভূলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়। একটি অ্যালগোরিদমকে যেকোনো ভাষায় বর্ণনা করা যেতে পারে,সে ভাষাটি হতে পারে বাংলা,ইংরেজির মত মানুষের মৌখিক ভাষা,অথবা সি++,জাভার মত প্রোগ্রামিং ভাষা এমনকি হার্ডওয়্যার ডিজাইনের মাধ্যমেও। তবে যে ভাষাতেও লেখা হোক সমস্যা সমাধানের প্রতিটি ধাপের বর্ণনা অ্যালগোরিদমে থাকতে হবে।

অ্যালগরিদম রচনার জন্য ৪টি উপযুক্ত শর্ত রয়েছে। এগুলো হল:

১. অ্যালগরিদম সহজবোধ্য হবে।

২. প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট হবে, যাতে সহজে বোঝা যায়; কোন ধাপই দ্ব্যর্থবোধক হবে না।

৩. সসীমসংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান করতে হবে। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ সময়েই সমাধান পাওয়া যাবে।

৪. ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া বাংলা